কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলায় দোকান বন্ধ করতে বলায় ডাকাত ভেবে পুলিশকে মারপিট

ভাইরাস সর্তকতা জন্য কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের কর্তব্যরত দু’জন পুলিশ সরকারি বিধান অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬ঘটিকার আগেই নিত্য প্রয়োজনীয়সহ সকল পণ্যের দোকান বন্ধ, এবং জনসমাগম বন্ধের জন্য প্রতিদিনই কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ।

336×280 bdwebs

তারই ধারাবাহিকতায় আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় দিকে মূল সড়কে টহল দিতে থাকে, উলিপুর উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের জিয়া পুকুরের সামনে দোকান গুলো খোলা দেখতে পারলে সেগুলো বন্ধের জন্য

বলে সেইসাথে চাপ প্রয়োগ করে বন্ধ করতে বাধ্য করে। এবং পরবর্তীতে আনন্দবাজারের উদ্দেশ্য চলে যায় সেখানে

ও একইভাবে দোকান বন্ধ করে এবং জনসমাগম বন্ধ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে এবং প্রায় আধাঘন্টার মত আনন্দ বাজারে অবস্থান করে। এরপর উলিপুর থানার দিকে রহনা হয়,চলতি পথে জিয়া পুকুরের দোকান গুলো পুনরায় খোলা দেখতে পায় সেই সাথে ১৫ থেকে ২০জন লোকের সমাগম দেখে উক্ত দোকানের ঝাপ গুলোতে লাটিচার্জ করে,দূত বন্ধ করতে বলে।

এ অবস্থায় উক্ত দোকানের দোকানদার সহ দোকানের সকল কাস্টমার ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার করতে থাকে, চিৎকার শুনে আশপাশের এলাকার প্রায় শতাধিক পুরুষ মহিলাসহ উড়ত্তি বয়সী ছেলেরা ঘটনা স্থানে বিভিন্ন ধরনের দেশি অস্ত্র এবং লাটি রড নিয়ে উপস্থিত হয়। এত মানুষ দেখে ভয়ে কর্মরত দুইজন পুলিশ নিজেকে পুলিশ বলে চিৎকার করে পরিচয় দিতে থাকে, এবং গায়ের ইউনিফর্ম মোবাইল ফ্লাসের ও মটর গাড়ির হেডলাইটের আলোতে দেখাতে থাকে,এবং পার্শ্ববর্তী ০১নং ওয়ার্ডের মেম্বারকে ফোন দেয়। কিন্তু পুলিশের ইউনিফর্ম থাকা সত্যেও পুলিশের উপর চড়াও হয়ে পরে। একটু পরেই মেম্বার এবং চৌকিদার ঘটনা স্থানে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে, ঘটনাস্থল থেকে দু’জন পুলিশকেই দ্রুত আনন্দ বাজারে নিয়ে আসে। করোনা ট্রাজেডির মধ্যে কর্তব্যরত পুলিশের উপর আক্রমনের ঘটনায় ওই এলাকায় তীব্র আতংক বিরাজ করছে।

[ad id=”19126″]

প্রত্যক্ষদর্শী মেম্বার জানান, পুলিশের ফোন পেয়ে দ্রুত সেই ঘটনাস্থলে চৌকিদার সহ উপস্থিত হই। কিন্তু গিয়ে একসঙ্গে এতো মানুষ এবং সকলের হাতে দেশী অস্ত্র এবং লাটি দেখে নিজেও ভয় পাই,কিন্তু সব পরিচিত মুখ হওয়ার কারনে তাদেরকে থেমে যেতে বললে তারা আমার উপরেও চড়াও হয়ে পড়ে,খুবই অসহায় লাগতেছিলো যখন চেনা ব্যক্তিদের, অচেনা এরকম আচরন দেখতে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে দ্রুত পুলিশভাইদের নিয়ে বাজারে চলে আসি।

ঘটনায় আক্রমণ হওয়া পুলিশ মামুন জানায়, আমরা নিজেদের জীবন বাজি রেখে আপনাদের সেবা করতে এসেছি, যাতে আপনারা করোনার মত মৃত্যু থেকে রেহাই পান। কিন্তু তার ফলস্বরূপ আপনারা আমাদের উপরই আক্রমণ করে ফেললেন
তিনি আরও বলে আমি এবং আমার সহকর্মী তাদের সামনে বিভিন্নভাবে পুলিশ প্রমান করলেও তারা বুঝতে চায়নি। তাই আমার মনে হয় ঘটনাটি পরিকল্পিত।

অন্যদিকে খবর পেয়ে উলিপুর থেকে উর্দ্ধতন কর্মকর্তা ওসি,এস,আইসহ অতিরিক্ত পুলিশ ওই এলাকায় গেলেও কাউকে আটক করতে পারেনি বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে উলিপুর থানার ওসি মোয়া‌জ্জেম হো‌সেন জানান, উলিপুর দূর্গাপুর ইউনিয়নের জিয়া পুকুরের পুলিশকে মারপিটের ঘটনার খবর পেয়ে উর্দ্ধতন কতৃপক্ষ ঘটনাস্থলে এসেছেন। তদন্ত করে পরবর্তি পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন।

[newsbox style=”nb3″ display=”category” cat=”17″ orderby=”rand” title=”এই বিভাগের আরো খবরঃ” number_of_posts=”6″ show_more=”yes”]

Scroll Up