ধর্ষণে ৭ মাসের অন্তঃসত্তা কিশোরী, বাচ্চা নষ্ট করতে দেয়া হচ্ছে চাপ

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে রাসেল মিয়া (২৬) নামে এক বখাটের ধর্ষণে ৭ মাসের অন্তঃসত্তা হয়েছে ১৪ বছরের কিশোরী।

ধর্ষক রাসেল মিয়া উপজেলার মরিচালী গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ডৌহাখলা ইউনিয়নের মরিচালী গ্রামে।

এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) কিশোরীর বাবা রাসেল মিয়াকে আসামী করে গৌরীপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং ১০ তারিখ ১১/১১/২০ ইং।

এ বিষয়ে ভিক্টিম কিশোরীর বাবা বলেন, ধর্ষক রাসেল আমাদের প্রতিবেশি বাতিজা। সংসারে অভাব অনটনের কারনে মেয়েকে গ্রামের বাড়িতে দাদীর কাছে রেখে আমরা স্বামী স্ত্রী দুজনেই গাজিপুর এলাকা একটি গার্মেন্টস এ চাকরী করি।

গত কিছুদিন আগে বাড়িতে এসে মেয়ের শারীরিক পরিবর্তনে অন্তঃসত্তা হওয়ার বিষয়টি বুজতে পারে কিশোরীর মা। পরে স্থানীয় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করালে ২৬ সপ্তাহের অন্তঃসত্তা বলে জানা যায়।

পরে বিষয়টি জানাজানি হলে রাসেল মিয়াকে আসামী করে গৌরীপুর থানায় মামলা দায়ের করেছি। মামলা করার আগে থেকে বাচ্চা নষ্ট করে মিমাংসা করার জন্য চাপ দিচ্ছে তারা।

এ বিষয়ে অন্তঃসত্তা কিশোরীর দাদী বলেন, ৭/৮ মাস আগে আমি বাড়িতে না থাকার সুযোগে রাসেল আমার নাতনীকে জোড়পুর্বক ধর্ষণ করে ও বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য মেয়েকে হুমকি দেয়।

এতে ওই আমার নাতনী অন্তঃসত্তা হয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি রাসেলের পরিবারকে জানালে রাসেলকে তড়িঘড়ি করে দ্বিতীয় বিয়ে করায় এবং বাচ্চা নষ্ট করার জন্য চাপ দেয়।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আবুল বাশার বলেন, মামলা দায়েরের পর ওই কিশোরীকে ফরেনসিক পরীক্ষা করানো হয়েছে। ধর্ষক রাসেলকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি।

Scroll Up