পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ

স্টাফ রিপোর্টার।। পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। তাঁর পিএইচডির বিষয় ছিল-‘Border Management Challenges of Border Guard Bangladesh (BGB): Issues in Transnational Threat.’

রোববার (২৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেসনালস ( বিইউপি) এর একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেট সভায় এ পিএইচডি ডিগ্রির অনুমোদন দেওয়া হয়।

এই গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন রংপুরে প্রতিষ্ঠিত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সলর প্রফেসর (ভিসি) ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ।

এছাড়া এক্সটার্নাল এক্সামিনার ছিলেন প্রফেসর ড. মিতা ব্যানার্জি। তিনি পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগরের কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সলর ।

অপর প্যানেল সদস্য ছিলেন-বিইউপির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম এ কাশেম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মো: মুজাহিদুল ইসলাম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তজার্তিক সর্ম্পক বিভাগের প্রফেসর ড. রাশেদ-উজ-জামান।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ বিইউপির ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষের পিএইচডির শিক্ষার্থী ছিলেন। পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের পর বিইউপির উপাচার্য মেজর জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ার হাসান তাকে পিএইচডি সার্টিফিকেট প্রদান করেন।

এ সময় বিইউপির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম এ কাশেম, রেজিষ্টার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহুল করিম উপস্থিত ছিলেন।

সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ ১৯৬১ সালের ১ জানুয়ারি চাঁদপুরে জন্মগ্রহণ করেন। জেনারেল আজিজ আহমেদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ইন ডিফেন্স স্টাডিজ, এমএসসি (কারিগরি) এবং আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ থেকে মাস্টার্স ইন বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এক্সিকিউটিভ) ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি বিইউপির অধীনে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করলেন।

পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ভয়াবহতা পেরিয়ে সীমান্তরক্ষা বাহিনীর নাম ও পোশাক বদলে যাওয়ার পর ২০১২ সালের ০৬ ডিসেম্বর বিজিবির দায়িত্ব নিয়েছিলেন জেনারেল আজিজ আহমেদ। তিনি ২০১৬ সালের ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত প্রায় চার বছর অত্যন্ত দক্ষ ও সাহসিকতার সঙ্গে বিজিবি’র মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বিজিবির উন্নয়ন ও পুনর্গঠনে নেতৃত্ব দিয়ে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ রাখেন। সেনাপ্রধান হিসেবেও দেশপ্রেমিক বাহিনীটির আধুনিকায়ন ও উন্নয়নে নেতৃত্ব দিয়ে নিজেকে অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। সেনাপ্রধানের নেতৃত্বে করোনাযুদ্ধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মানবিক কর্মকান্ডসহ নানাবিধ ভূমিকায় একাধিকবার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Scroll Up