গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় যখন জনগণই শেষ কথা; সেখানে রাজনীতি ইতিবাচক হতে বাধ্য – রফিকুল ইসলাম রফিক

স্টাফ রিপোর্টার।। “যে আছে মাটির কাছাকাছি, সে কবির বাণী-লাগি কান পেতে আছি”। তিনি একজন মাটির কাছে থাকা রাজনীতিবিদ। মৃত্তিকাশ্রয়ী জননেতা রফিকুল ইসলাম রফিক একজন সংবেদনশীল মানুষ। মাটির মমতা আর নদীর সরলতা তাঁর চরিত্রকে করেছে পরিশুদ্ধ।

তিনি প্রকৃতার্থে সমজা সেবক এবং রাজনীতির এক শুদ্ধ পুরুষ। ছাত্র জীবনেই রাজনীতির পাঠ নেন, যৌবনে লড়াই আর সংগ্রামের পথ বেছে নেন , পরিণত বয়সে হয়েছেন জনহিতে নিবেদিত প্রাণ। আজীবন সংগ্রামী, আপাদমস্তক এক অমলিন আদর্শ ব্যাক্তিত্ব। সমাজ সেবাকে ব্রত হিসেবে ধ্যান জ্ঞান করে তাঁর চারপাশকে করেছেন আলোকিত। নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন মানবতার কল্যাণে।

 

রফিকুল ইসলাম রফিক পূর্বধলা থানার বড়রুহী গ্রামের আঃ লতিফ এর সন্তান। তিনি আনন্দ মোহন কলেজ থেকে বি কম ডিগ্রী অর্জন করেন।

ছাত্র জীবন থেকেই এলাকার উন্নয়ন, অগ্রগতিতে রেখেছেন অসামান্য ভূমিকা। দলঅন্তপ্রাণ এই মানুষটি দুর্দিনের প্রতিনিধি, সুদিনের পরামর্শক। মানুষের কল্যাণ কাজে সহযোগিতা করার কারিগর এই মহৎ মানুষটির কাছে সমাজ সেবা হলো আরাধনা, দল ছিল পরিবার,রাজপথ ছিল সংসার। বিশাল হৃদয়ের এই ব্যাক্তিটি কে পৃষ্ঠপোষকতা করে জনসেবায় এগিয়ে দিয়ে একজন আদর্শিক জনপ্রতিনিধি আদর্শিক অভিভাবক হিসাবে পেতে নির্বাচিত করতে দলমত নির্বিশেষে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন পূর্বধলাবাসী।
সততা, কর্তব্যনিষ্ঠা আর দায়বদ্ধতার অভিনব এমন মিশেল সমাজে এখন খুঁজে পাওয়া যায় না। আদর্শিক রাজনীতি সমাজ সেবার বাতিঘর,রফিকুল ইসলাম রফিক একজন কর্মীবান্ধব নেতা, জনবান্ধব অভিভাবক ও পরিশীলিত জনসেবক।

তিনি কখনো প্রভাব প্রতিপত্তি আর অনৈতিক সুবিধার জন্য রাজনীতিকে ব্যবহার করেননি। দলকে কলুষিত করেননি। কলুষতামুক্ত একজন নির্ভেজাল আওয়ামী লীগার তিনি। তাঁর যোগ্যতা, দক্ষতা, জনপ্রিয়তা আর দূরদর্শিতার স্বীকৃতি দিতে পূর্বধলাবাসী আসন্ন ১৭ই অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য জেলা পরিষদ নির্বাচন ২০২২ইং ৩নং ওয়ার্ড পূর্বধলা থেকে সদস্য পদপ্রার্থী তারুণ্য নির্ভর,সদালাপী,যোগ্য,সাহসী ও শিক্ষানুরাগী সবার সু-পরিচিত রফিকুল ইসলাম রফিক রয়েছেন আলোচনায় শীর্ষে। রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, জনগণের সেবা করার জন্য, জনগণের পাশে থাকার জন্য, নেতা হওয়ার দরকার নেই। কর্মী হয়েও পাশে থাকা যায়।
কোনো দেশের মঙ্গলের জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন হয় কল্যাণকর জনহিতকর মানসিকতা । মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে রাজনীতি মুখ্য ভূমিকা পালন করে সে কারণে রাজনীতির সঙ্গে যারা জড়িত তারা অবশ্যই ইতিবাচক মানসিকতাসম্পন্ন হবেনএটাই জনগণ প্রত্যাশা করে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় যখন জনগণই শেষ কথা; সেখানে রাজনীতি ইতিবাচক হতে বাধ্য। সব সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং কর্মপরিকল্পনা জনগণকেন্দ্রিক হওয়া প্রয়োজন। সেই জনগণের কথা চিন্তা করেই আমার নির্বাচনে অংশ গ্রহন। সকলের দোয়া ও সহযোগিতায় এখন পর্যন্ত আমি জয়ী হওয়ার আশাবাদী। আল্লাহ পাক চাইলে ভালো কিছু হতে পারে ইনশাআল্লাহ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Share & Like
Share & Like